আজকে আমার অল টিপস বাংলায় স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিষয়ক টিপস এন্ড ট্রিকস উপস্থাপন করব। আর সেই টিপস-এন্ড-ট্রিকস অবলম্বন করে আপনারা বাড়িতেই রূপচর্চা বিষয়ক বিভিন্ন উপটান বাড়িয়ে নিতে পারবেন এবং সেই গুলোকে ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার সৌন্দর্য কে ও স্বাস্থ্যকে আরো সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে তুলতে পারবেন। আর উপটান কথাটির অর্থ মূলত আয়ুর্বেদিক মিশ্রন, আপনারা বাড়িতে বসেই বিভিন্ন ধরণের আয়ূর্বেদিক মিশ্রণ তৈরি করে ব্যবহার করতে পারবেন। অথচ আপনারা রূপচর্চার জন্য পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা নষ্ট করেন। আর সে কারণেই আমরা আপনাদের জন্য ঘরোয়া উপায়, কিছু আয়ুর্বেদিক মিশ্রন তৈরীর প্রক্রিয়া নিয়ে হাজির হয়েছি।
ঘরোয়া উপায়ে আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ তৈরি হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান যেমনঃ হলুদ, নিম, তুলসি, চন্দন, মেথি, ও বেসন সহ ইত্যাদি ইত্যাদি গুঁড়ো দিয়ে। এটি অতি প্রাচীনকাল থেকেই বিয়ের কনের বিবাহের পূর্বে রূপচর্চার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশের একটি ঐতিহাসিক রূপচর্চা সামগ্রী। তবে ধারণা করা হয়, আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন রূপচর্চার সামগ্রী। প্রাচীনকালে বৈদ্যরা ব্যবহার করা পরামর্শ দিতেন। বর্তমান পৃথিবীতে যেখানে দূষণ আর ভেজালের হাত থেকে রেহাই নেই। সেখানে আমাদের ত্বকের যত্নে আয়ুর্বেদিক মিশ্রনের মত একটি প্রাকৃতিক সমাধান খুবই প্রয়োজনীয়। আয়ুর্বেদিক মিশ্রণে রয়েছে বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের ঘরে বা আশে পাশে পাওয়া যায়। এর জন্য হাটে বাজারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা দিয়ে কেমিক্যালযুক্ত বিউটি প্রোডাক্ট কেনার কোন প্রয়োজন হয় না। যে প্রোডাক্ট গুলো শুধু আমাদের ত্বকেই ক্ষতি করে। চলুন, বেশি কথা না বলে বাড়িতে বানানোর জন্য আয়ুর্বেদিক মিশ্রণের কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী দেখে নেওয়া যাক।
আমরা সকলেই জানি, প্রাচীনকাল থেকেই নারীর সৌন্দর্যের জন্য করে আসছে নানা রকম অনুশীলন। বর্তমান সময়ের নারীরাও বিভিন্ন ভাবে তাদের রূপচর্চা করে থাকেন। আর সেই সৌন্দর্যকে বিকাশিত করার জন্য গড়ে উঠেছে নানা রকম বিউটি পার্লার। আর সেই সব বিউটি পার্লারে সৌন্দর্য চর্চা করার জন্য রয়েছে নানা রকমের ফেসিয়াল, থেরাপি, ও ট্রিটমেন্ট। আর সে গুলি করতে হাজার হাজার টাকা ব্যয় হয়ে যাচ্ছে, আর বিউটি পার্লার গুলো রূপসজ্জা সেবার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে সেই টাকা গুলো। অথচ আমরা অবহেলা করে যাচ্ছি রূপচর্চার ঘরোয়া, ও প্রাকৃতিক সেই উপাদান গুলোকে। ঘরে বসে খুব সহজে এবং অল্প খরচে আমাদের আশে পাশে পাওয়া সম্ভব এমন উপাদান এর সাহায্যে আমরা তৈরি করতে পারি। এমন কিছু রূপসজ্জা ও রূপচর্চার জন্য সামগ্রী, যার ফলে আমাদের ত্বক হবে কোমল, উজ্জল, ও মসৃণ যা সকলের কাছেই কাম্য। আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ এমন একটি রূপচর্চার সামগ্রী যা আমাদের কে দিতে পারে, অসাধারণ সুন্দর ত্বক। যা আমাদের সকলে সব সময় চেয়ে থাকে।
ঘরোয়া উপায়ে আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ তৈরি হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান যেমনঃ হলুদ, নিম, তুলসি, চন্দন, মেথি, ও বেসন সহ ইত্যাদি ইত্যাদি গুঁড়ো দিয়ে। এটি অতি প্রাচীনকাল থেকেই বিয়ের কনের বিবাহের পূর্বে রূপচর্চার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশের একটি ঐতিহাসিক রূপচর্চা সামগ্রী। তবে ধারণা করা হয়, আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন রূপচর্চার সামগ্রী। প্রাচীনকালে বৈদ্যরা ব্যবহার করা পরামর্শ দিতেন। বর্তমান পৃথিবীতে যেখানে দূষণ আর ভেজালের হাত থেকে রেহাই নেই। সেখানে আমাদের ত্বকের যত্নে আয়ুর্বেদিক মিশ্রনের মত একটি প্রাকৃতিক সমাধান খুবই প্রয়োজনীয়। আয়ুর্বেদিক মিশ্রণে রয়েছে বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের ঘরে বা আশে পাশে পাওয়া যায়। এর জন্য হাটে বাজারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা দিয়ে কেমিক্যালযুক্ত বিউটি প্রোডাক্ট কেনার কোন প্রয়োজন হয় না। যে প্রোডাক্ট গুলো শুধু আমাদের ত্বকেই ক্ষতি করে। চলুন, বেশি কথা না বলে বাড়িতে বানানোর জন্য আয়ুর্বেদিক মিশ্রণের কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী দেখে নেওয়া যাক।
ঘরোয়া উপায় আয়ুর্বেদিক মিশ্রন বানানোর কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালীঃ
১.. সাধারণ আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ-
প্রয়োজনীয় উপাদান বা উপকরণঃ
- বেসন ২ টেবিল চামচ।
- চন্দন গুঁড়া ১ টেবিল চামচ।
- হলুদ গুঁড়া ০.৫০ টেবিল চামচ।
- দুধ ২ টেবিল চামচ।
আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ
প্রথমে সবগুলি উপাদান বা উপকরণ গুলোকে একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্টের মতো করে নিন। পেস্টটি দিয়ে ফেস ওয়াশ এর মত করে প্রতিদিন মুখ পরিষ্কার করুন। এবং ব্যবহারের দুই-তিনদিনের মধ্যেই দেখতে পাবেন। আপনার ত্বকের উজ্জলতা, এটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে। তাহলেই আপনারা এটির আসল ফলাফল দেখতে পাবেন। আপনারা চাইলেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য উপরোক্ত সাধারণ আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন।
২.. ফর্সা, উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় ত্বকের জন্য আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ-
প্রয়োজনীয় উপাদান বা উপকরণঃ
- বেসন ৪ টেবিল চামচ।।
- দুধের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ।
- তরল দুধ ১ টেবিল চামচ।
- লেবুর রস ২ টেবিল চামচ।
- আমণু ১.৫০ টেবিল চামচ।
- হলুদ গুঁড়া ০.৫০ চায়ের চামচ।
- অলিভ অয়েল কয়েক ফোঁটা।
- গোলাপ জল কয়েক ফোঁটা।
আয়ুর্বেদিক মিশ্রন প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ
প্রথমেই সবগুলো উপাদান ও উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মিশন করে ফেসপ্যাক হিসেবে মুখে ও গলায় লাগান। এবং লাগানোর সময় হালকা হবে ম্যাসাজ করে নিন। এরপর এটিকে পরিষ্কার করার সময় আলতো করে ম্যাসাজ করে তুলে ফেলুন। এবং আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি নিয়মিত ব্যবহার করুন। তাহলে আপনি আপনার ত্বককে আরও উজ্জ্বল, মসৃণ, ও লাবণ্যময় দেখতে পাবেন। আপনাদের যদি আকাঙ্ক্ষা থাকে যে, আপনাদের মুখের উজ্জলতা, মসৃণতা, ও লাবণ্য বৃদ্ধি করবেন। তাহলে দয়া করে আমাদের এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আমি আশা করি, আপনার সেই আকাঙ্ক্ষা ঘরোয়া এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি পূরণ করতে পারবে। আপনাকে বাজার থেকে কেমিক্যাল যুক্ত বিউটি ক্রিম কিনতে হবে না।
প্রয়োজনীয় উপাদান বা উপকরণঃ
- বেসন ২ টেবিল চামচ।
- চন্দন গুঁড়া ১ টেবিল চামচ।
- হলুদ গুঁড়া ০.৫০ টেবিল চামচ।
- মধু ২ টেবিল চামচ।
- পাকা একটি কলা।
- প্রয়োজন মতো তরল দুধ।
৪.. আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ
প্রথমেই সব গুলো উপকরণ বা উপাদান একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করুন। এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করার পাশাপাশি এর আদ্রতা ও কোমলতা বজায় রাখার জন্য খুব ভালো কাজ করে। আপনি চাইলে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। যারা শুষ্ক ত্বক নিয়ে চিন্তিত উপরোক্ত এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি তাদের জন্য। এটি তাদের শুষ্কতা দূর করবে এবং ত্বকের আদ্রতা বৃদ্ধি করবে, এছাড়াও উপরোক্ত এই মিশ্রণটি ব্যবহারের ফলে উজ্জলতা বৃদ্ধি পাবে।
৪.. তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আয়ুর্বেদিক মিশ্রন-
প্রয়োজনীয় উপকরণ বা উপাদানঃ
- বেসন ২ টেবিল চামচ।
- চন্দন গুঁড়া ১ টেবিল চামচ।
- হলুদ গুঁড়া ০.৫০ টেবিল চামচ
- কলার রস বা লেবুর রস একটির।
- কাপ দই ০.৫০
আয়ুর্বেদিক মিশ্রন প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ
প্রথমেই সবটি উপাদান ও উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং ব্যবহার করুন। এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণের নিয়মিত ব্যবহার আপনার ত্বককে করে তুলবে আরো সুন্দর, মসৃণ, ও উজ্জ্বল আর এটি ত্বকে তেলতেলে ও করবেনা। তাই তেলতেলে ত্বক থেকে মিক্তি পেতে চাইলে আপনি এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। যারা তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে চিন্তাগ্রস্থ তাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি আমাদের এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ। উপরোক্ত এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি ব্যবহারের ফলে আপনার তৈলাক্ত ত্বকের চিন্তা দূর হবে। তার সাথে সাথে আপনার ত্বক হবে সুন্দর, মসৃণ, ও উজ্জ্বল যা আপনর আকাঙ্ক্ষিত।
প্রয়োজনীয় উপাদান বা উপকরণঃ
- বেসন ৩.৫০ টেবিল চামচ।
- হলুদ গুঁড়া ১ চায়ের চামচ।
- লেবুর রস ২ টেবিল চামচ।
- তরল দুধ আধা কাপ।
আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ
প্রথমে সব গুলো উপাদান বা উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করুন। আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি সাবানের মত প্রতিদিন পুরা শরীরে ব্যবহার করুন। এর আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি ব্যবহারের ফলে ত্বক পরিষ্কার সাথে সাথে আপনার ত্বককে করবে উজ্জ্বল ও দীপ্তিময়।
আমার মনে হয় আপনার এতক্ষনে আপনাদের প্রয়োজন মত আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ টিকে বেছে নিয়েছেন। আমি বলব আপনারা যদি নিয়মিত এই সব মিশ্রণ ব্যবহার করেন। তাহলে আপনাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। শরীরের মধ্যে থাকা রোদে পোড়া ভাব ও নির্জীবতা দূর হবে। আপনাদের ত্বক হবে মসৃণ, দীপ্তিময়, আপনারা যা করার জন্য বাজার থেকে কেমিক্যালযুক্ত বিউটি ক্রিম ক্রয় করে হাজার হাজার টাকা নষ্ট করেন। যেগুলি আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আর আমাদের এই সব আয়ুর্বেদিক মিশ্রণ খুবই সাধারণ জিনিস থেকে তৈরি। যা আপনার হাতের নাগালেই, ঘরের মধ্যেই পেয়ে যান। যার ফলে আপনাদেরকে বারতি কোন টাকা খরচ করতে হবে না। এবং রূপচর্চা ও হয়ে যাবে আশা করছি উপরে উল্লেখিত আয়ুর্বেদিক মিশ্রন গুলি আপনাদের ভাল লেগেছে। তাই আপনারা ব্যবহার করার পর আমাদের কিন্তু জানিয়ে দিতে ভুলবেন না যে কোনটি সব থেকে ভালো কাজ করে। পরবর্তীতে এরকম নিত্য নতুন রূপচর্চার প্রস্তুত প্রণালী নিয়ে আমরা আবারো হাজির হব। ইনশাল্লাহ


