ভোটার তালিকা হালনাগাদ করণের ফরম সম্পর্কিত তথ্যাদি ২০২২। Votar talika halnagat kroner from somporkito torthadi 2022.

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম 

সম্মানিত মুসলিম দর্শকবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহি, ও অন্য অন্য জাতি বা ধর্মাবলম্বীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকে আমরা "অল টিপস বাংলায়" এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। যে বিষয় টি নিয়ে এর আগে ও আমরা একটি পোস্ট আপলোড করেছিলাম। সেখানে আমরা বলেছিলাম আপনাদের অনলাইনে ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর আবেদনের জন্য কি কি কাগজপত্র লাগবে। এবং ফরম টি কিভাবে পূরণ করতে হবে অর্থাৎ ফরম এ কি কি তথ্য দিতে হবে। সেই বিষয় নিয়ে এর আগে আমরা একটি পোস্ট আপলোড করেছিলাম। আজকে আমরা সেই ফরম সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব।

আপনারা সকলে অবগত আছেন যে, আর অবগত না থাকলেও কোন সমস্যা নেই, কেননা আপনারা আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে সে বিষয় টি জানতে পারবেন। গতকাল অর্থাৎ ২০ মে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার নিজে একটি বাসায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ২০২২ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু করে। এর আগে তিনি বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে উক্ত হালনাগাদ কার্যক্রম এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। আর এই হালনাগাদ কার্যক্রম সারা দেশব্যাপী ৪ ধাপে সম্পন্ন হবে। আর এই হালনাগাদ কার্যক্রম নিজেদের তথ্য প্রদান করতে পারবেন ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারির আগে যাদের জন্ম তারা এই ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এর আগের ২ বছর বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ ভাবে তথ্য হালনাগাদ কার্যক্রম বন্ধ ছিল। কেননা দেশে তখন ছিল করোনার-হানা তবে এই বার বাড়ি গিয়ে এই তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যাদের বয়স ১৬ বছর হয়েছে তারা এই কার্যক্রমে নিজেদের তথ্য হালনাগাদ করতে পারবে। যখন তাদের বয়স ১৮ বছর হবে তখন সক্রিয় ভাবে সেই তথ্য ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে। এবার চলুন কথা বলা যাক। ভোটার তালিকার ফরমে আপনাদের কি কি তথ্য প্রদান করতে হবে।


ভোটার তালিকার ফরম এর নমুনাঃ

নিবন্ধন ফরম (ফরম-২) ফরম নম্বর:
[বিধি-১০ দ্রষ্টব্য]

১.. ভোটার এলাকার নাম:

২.. ভোটার এলাকার নাম্বার:

৩.. নাম (বাংলায়):

৪.. নাম (ENGLISH বড় অক্ষরে):

৫.. পিতার নাম:

৬.. পিতার NID নং:
অথবা ভোটার নং:

৭.. পিতার মৃত্যু হলে মৃত্যুর সাল:

৮.. মাতার নাম:

৯.. মাতার NID নং:
অথবা ভোটার নং:

১০.. মাতা মৃত হলে মৃত্যুর সাল:

১১.. স্বামী/ স্ত্রীর নাম:

১২.. স্বামী/ স্ত্রীর NID নং:

১৩.. স্বামী/ স্ত্রীর মৃত হলে মৃত্যুর সাল:

১৪.. ১৭ অংকের জন্ম নিবন্ধন নং:

১৫.. জন্ম তারিখ:

১৬.. জন্ম স্থান (জেলা):

১৭.. লিঙ্গ:

১৮.. বৈবাহিক অবস্থা: □ অবিবাহিত □ বিবাহিত □ তালাকপ্রাপ্ত □ বিধবা □ বিপত্নীক

১৯.. শিক্ষাগত যোগ্যতা (নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী):

২০.. পেশা (নির্ধারিত ৪৪):

২১.. অসামর্থ্যতা/ প্রতিবন্ধীর প্রকৃতি (টিক দিন): □ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী □ শারীরিক প্রতিবন্ধী □ শ্রবণ প্রতিবন্ধী □ বাক প্রতিবন্ধী □ অন্যান্য

২২.. দৃশ্যমান সনাক্তকরণ চিহ্ন:

২৩.. রক্তের গ্রুপ (যদি জানা থাকে টিক দিন): A+ A- B+ B- AB+ AB- O+ O-

দ্রষ্টব্যঃ পিতা/ মাতা/ স্বামী/ স্ত্রী ২০০৭ এর পর মৃত্যুবরণ করে থাকলে ফরম-১২ পূরণ করতে হবে।


নিবন্ধন ম্নিপ
(ফরম-৫)
[বিধি-১২ (ঘ) দ্রষ্টব্য]

ভোটার এলাকার নম্বর:.................   ফরম নম্বর:...................
১.. নাম:

২.. নিবন্ধন কেন্দ্র:................ উপস্থিতির তারিখ ও সময়:.............

৩.. তথ্য সংগ্রহকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ:



২৪.. বর্তমান ঠিকানা:  বিভাগঃ................ জেলাঃ............. উপজেলা/ থানাঃ................ সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা/ ইউনিয়ন/ ক্যান্টঃ বোর্ডঃ.............. ওয়ার্ড নম্বরঃ............. মৌজাঃ.............. গ্রাম/ মহল্লা/ রাস্তার নাম ও নম্বরঃ............. বাসা/ হোল্ডিং নং............. ডাকঘরঃ............. পোস্ট কোডঃ.............
আর.এম.ও: □ পল্লী □ পৌরসভা □ শহর □ অন্য এলাকা □ সিটি কর্পোরেশন

২৫.. স্থায়ী ঠিকানা:   বর্তমান ঠিকানার মতোই অনুরূপ।

২৬..TIN (যদি থাকে):

২৭.. ড্রাইভিং লাইসেন্স (যদি থাকে):

২৮.. পাসপোর্ট নাম্বার (যদি থাকে):

২৯.. টেলিফোন নাম্বার (যদি থাকে):

৩০.. মোবাইল নাম্বার:

৩১.. ধর্ম (টিক দিন): □ ইসলাম □ হিন্দু □ খ্রিস্টান □ বৌদ্ধ □ অন্যান্য

৩২.. বাদপড়া ভোটারদের ক্ষেত্রে-
বাদপড়ার কারণ:

৩৩.. আবেদনকারীর প্রত্যায়ন:
আমি শপথ করিয়া বলিতেছি যে, আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং এই ফরমে বর্ণিত তথ্যাদি আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সম্পূর্ণ সত্য। আমি বর্ণিত ভোটার এলাকা ব্যতীত অন্য কোনো ভোটার এলাকার ভোটার তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য এই ফরম ব্যতীত অন্য কোন ফরম পূরণ করি নাই।  আবেদনকারীর স্বাক্ষর/ টিপসহি:.................

৩৪.. শনাক্তকারীর NID নং:

৩৫.. স্বাক্ষর:

৩৬.. তথ্য সংগ্রহকারী নং:

৩৭.. স্বাক্ষর:

৩৮.. সুপারভাইজারের NID নং:

৩৯.. স্বাক্ষর:

৪০.. যাচাইকারীর নাম:

৪১.. যাচাইকারীর NID নং:

৪২.. স্বাক্ষর:

৪৩.. আবেদনকারীর ছবি, আঙ্গুলের ছাপ ও স্বাক্ষর (রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্রে প্রদান করতে হবে): আবেদনকারীর প্রত্যায়ন-কম্পিউটারে আমরা সকল ডাটার সঠিক এন্ট্রি নিশ্চিত করলাম (আবেদনকারীর স্বাক্ষর/ টিপসহি):................. তারিখ:..................

৪৪.. ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের NID নং:

৪৫.. স্বাক্ষর:

৪৬.. রেজিস্ট্রেশন/ সহকারি রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও তারিখ:


প্র্যাপ্তি রশিদ

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এর নাম, স্বাক্ষর ও তারিখ:.................

নিবন্ধন ম্নিপ এবং প্রাপ্তি রশিদ সংরক্ষন করুন।






আশা করি, উপরোক্ত ফরম টি সম্পর্কে আপনারা ভালোভাবে জানতে পেরেছেন বা বুঝতে পেরেছি। এবং আপনাদের কি কি কাগজপত্র লাগবে সেটা নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন। আপনাদের কি কি তথ্য প্রদান করতে হবে সেটিও নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সেটা নিশ্চয়ই আপনারা জানেন। তাই উক্ত হালনাগাদ কার্যক্রম এ সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে আপনারা আপনাদের জাতীয় পরিচয় পত্রকের সুরক্ষিত করুন। যাতে পরবর্তীতে এটি নিয়ে আপনাদের কোন ঝামেলায় না পড়তে হয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Contact Form