৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজার ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শেষ হতে না হতেই বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যা পরিস্থিতি ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে হাজার হাজার মানুষ নিজেদের বাড়িটা হারিয়ে নিঃস্ব প্রায়। এর মাঝেই বিশেষজ্ঞরা আবারো অনুমান করতেছ করোনা ভাইরাস এর চতুর্থ ঢেউ আসতে পারে। এ কারণেই করোনার টিকা প্রদানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগের থেকে বেশি কাজ করে যাচ্ছে। বয়স্ক এবং মধ্য বয়সী প্রায় অনেকেই করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু ৫ থেকে ১২ বছরের নিচে শিশুদের এখনো করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়নি। আর বিশেষজ্ঞদের অনুমান করা এই চতুর্থ ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখে শিশুদের টিকা দেওয়ার প্রতি নজর দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যেখানে ৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের ফাইজারর টিকা প্রদান করবে বলে বলা হয়েছে।


সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এক তথ্য জানিয়েছেন যেখানে তিনি বলেছেন, ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের করোনাভাইরাসের ফাইজার জেডের টিকা দেওয়া হবে। এর জন্য তাদেরকে তাদের জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে সুরক্ষায় অ্যাপে বা সুরক্ষা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, যাদের জন্ম নিবন্ধন নেই,  তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে করে নেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন, কোরবানির হাটে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে চলার কথা। অধিদপ্তরের এই অতিরিক্ত মহাপরিচালক স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। এর আগে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশ কে ৪০ লক্ষ টিকার অনুমোদন দিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যেগুলো ছিল ফাইজারের টিকা। বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের ভেরিভাইট ফেসবুক পেজে পোস্টের মাধ্যমে তারা বলেন, বাংলাদেশকে ফাইযারের টিকা আরো ৪ মিলিয়ন অর্থাৎ চার লক্ষ রেডি ইউজ ডোজ অনুমোদন দিতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত। আর এই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন দেওয়া টিকার পরিমাণ ৬৮ মিলিয়ন এর ও বেশি।

আপনার সন্তানকে এই করোনার দুঃসময়ে নিরাপদ রাখার জন্য ফাইজার এর টিকা প্রদান করা অতীব জরুরী। তাই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এবং সুরক্ষায় অ্যাপস বা ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের মাধ্যমে আপনার সন্তানকে করোনার টিকা গ্রহণ করান। নিজে সুস্থ থাকুন অন্যকে সুস্থ রাখার সহায়তা করুন। যার জন্য মাক্স পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর সামনে আসতেছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। যেই সব উপলক্ষে হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান নিজের আল্লাহকে খুশি করার উদ্দেশ্যে গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ, উট, ও দুম্বা কোরবানির মাধ্যমে নিজের ধর্মভীরু প্রকাশের মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামিন কে খুশি করার চেষ্টা করবেন। এ কারণেই উক্ত পশু গুলো ক্রয় করার জন্য তারা হাটে বাজারে যাবেন। উক্ত হাটে বাজারে যাওয়ার সময় মাক্স পড়ুন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন নিজে ভালো থাকুন অন্যকে ভালো রাখুন। আসছে ঈদুল আযহা আপনার সুস্থ ও আনন্দময় কাটুক।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Contact Form