বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সামনে আসতেছে, মুসলমানদের সবচেয়ে ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা। সেই উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় লক্ষ্যে ও পশু কোরবানি করবেন। আর আমরা যেহেতু এখানে ফ্রিজের পোস্ট আপলোড করেছি, সে কারণেই আপনাদের কে বলে রাখা ভালো যে আপনারা হয়তো ফ্রিজ গুলো কিনতেছেন সেই সব পশুর মাংস ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখার জন্য। তবে এক্ষেত্রে আপনাদের সংরক্ষণের চাহিদা সীমাবদ্ধ রাখাই ভালো হবে। কেননা ঈদ মানে খুশ, ঈদ মানে আনন্দ, আর সেই আনন্দকে সকলের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার জন্য আপনার জবাই কিন্তু সেই কুরবানীর পশুটির মাংস গুলোকে গরিব-দুঃখী মাঝে বিতরণ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। কেননা এটি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল দ্বারা নির্দেশিত। তাই ফ্রিজের মধ্যে গোস্তকে সংরক্ষিত না করে গরিব দুঃখীর মাঝে সেগুলো বিলিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ঈদের যে খুশি সে খুশি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
সম্মানিত মুসলিম দর্শকবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহি। অন্য অন্য জাতি বা ধর্মবলম্বীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সম্মানিত দর্শকবৃন্দ আশা করছি, আপনারা মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে ও দোয়ায় সকলে ভালো আছেন। আজকে আমরা অল টিপস বাংলা ওয়েবসাইটে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি দারুন একটি পোস্ট। যে পোস্টের মাধ্যমে আপনারা সকলে আপনাদের প্রয়োজনীয় একটি বস্তু সম্পর্কে জানতে পারবেন। আর বর্তমান সময়ে এই প্রয়োজনীয় বস্তুটির প্রয়োজনীয়তা আকাশচুম্বি। কেননা সামনেই আসতেছে মুসলমানের সবচেয়ে ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা আর এই ঈদুল আযহা উপলক্ষে শত শত মুসলিম ভাই ও বোনেরা নিজেদের কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ ক্রয় করে থাকে। তাই আজকে আমরা আপনাদের জন্য ওয়ালটন ব্র্যান্ডের কিছু ফ্রিজ রিভিউ করব। যেখানে অসাধারণ সব ফিউচার সহ নান্দনিক মডেলের কিছু ফ্রিজ রয়েছে সেগুলির মূল্য ও ধারণ ক্ষমতা সম্পর্কেও আমরা এই পোস্টে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব। আপনার যদি ফ্রিজ কেনার আগ্রহ থাকে তাহলে আপনি আমাদের পোস্টটি সম্পন্ন করতে পারেন। আর যদি না থাকে তবুও আপনারা আমাদের পোস্টটি পড়ে অভিজ্ঞতা গ্রহণ করতে পারেন। ভবিষ্যতে যা কাজে লাগতে পারে, তাই চলুন বেশি কথা না বাড়িয়ে আমাদের আজকের পোষ্টের মূল প্রসঙ্গে চলে যাওয়া যাক।
আমরা ১ নাম্বার ওয়ালটনের WFC-3F5-GDEH-DD মডেলের একটি ফ্রিজ নিয়ে কথা বলবঃ
বাংলাদেশী টাকায় মূল্যঃ ৪৮ হাজার ৯৯০ টাকা।
ফ্রিজটির মোট ধারণ ক্ষমতা ৩৮০ লিটার। ফ্রিজটির নিট ধারন ক্ষমতা ৩৬৫ লিটার। এছাড়াও ফ্রিজটি ডাইরেক্ট কুল সহ গ্লাস ডোর। ফ্রিজটিতে রয়েছে সর্বাধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে। যার কারণে ভোল্টেজ স্ট্যাবেলাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না। ফ্রিজটিতে রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে R600a
আমরা ২ নাম্বারে WFC-3F5-GDEH-XX মডেলের একটি ফ্রিজ নিয়ে আলোচনা করবঃ
বাংলাদেশী টাকায় মূল্যঃ ৪৬ হাজার ৯৯০ টাকা।
ফ্রিজটির মোট ধারণ ক্ষমতা ৩৮০ লিটার। ফ্রিজটির নেট ধারণক্ষমতা ৩৬৫ লিটার। এছাড়াও ফ্রিজটির ডাইরেক্ট কুল ব্যবস্থা রয়েছে। গ্লাস ডোর ও অত্যাধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার টেকনোলজির ব্যবহার করা হয়েছে। যার কারনে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করার কোন প্রয়োজন হবে না। ফ্রিজটিতে রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে R600a
আমরা ৩ নম্বরে WFC-3F5-GDEL-XX মডেলের ওয়ালটন ফ্রিজ নিয়ে আলোচনা করবঃ
বাংলাদেশি টাকায় মূল্যঃ ৪৬ হাজার ৪৯০ টাকা।
ফ্রিজটির মোট ধারণ ক্ষমতা ৩৮০ লিটার। ফ্রিজটির নেট ধারন ক্ষমতা ৩৬৫ লিটার। এছাড়াও ডাইরেক্ট কুল, গ্লাস ডোর ও অত্যাধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার টেকনোলজির ব্যবহার করা হয়েছে। ফ্রিজটিতে সেই কারণে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না। ফ্রিজটিতে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে R600a
আমরা ৪ নম্বরে WFC-3F5-GDNE-XX মডেলের ওয়ালটন ফ্রিজ দিয়ে আলোচনা করবঃ
বাংলাদেশী টাকায় মূল্যঃ ৪৬ হাজার ৪৯০ টাকা।
ফ্রিজটির মোট ধারণক্ষমতা ৩৮০ লিটার। ফ্রিজটির নেট ধারন ক্ষমতা ৩৬৫ লিটার। এছাড়াও ডাইরেক কুল, গ্লাস ডোর ও সর্বাধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার টেকনোলজির ব্যবহার করা হয়েছে। যে কারণে ভোল্টেজ স্টাবিলাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না। ফ্রিজটিতে রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে R600a
আমরা ৫ নম্বরে WFC-3D8-GDNE-XX মডেলের ওয়ালটন ফ্রিজ নিয়ে আলোচনা করবঃ
বাংলাদেশী টাকায় মূল্যঃ ৪৩ হাজার ৭৯০ টাকা।
ফ্রিজটির মোট ধারণ ক্ষমতা ৩৪৮ লিটার। ফ্রিজটির নেট ধারন ক্ষমতা ৩৩৩ লিটার। এছাড়াও ডাইরেক কুল, গ্লাস ডোর ও সর্বাধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার টেকনোলজির ব্যবহার করা হয়েছে। যে কারণে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না। এছাড়াও রেফ্রিজারেটরটিতে রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে R600a
উপরে আমরা মোটামুটি ভালো মানের এবং সবচেয়ে দামি মানের পাঁচটি ফ্রিজ উপস্থাপন করেছি। যেগুলি অত্যাধুনিক ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত যেগুলির সব গুলি প্রায় ৩০০ লিটারের উপরে। ফ্রিজ গুলির সব গুলিতেই ডাইরেক্ট কুল ও গ্লাস ডোর ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে কে ব্যবহার করা হয়েছে R600a। ফ্রিজ গুলোতে সর্বাধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার টেকনোলজির ব্যবহার করা হয়েছে। সে কারণে গুলিতে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করতে হবে না। এবং ফ্রিজ গুলিতে যে গ্লাস ডোর ব্যবহার করা হয়েছে। সে কারণেই ফ্রিজ গুলো ঝকঝক বা চকচক করবে। দেখতে উজ্জ্বলময় হবে এবং আকর্ষণীয় হবে। ফ্রিজ গুলি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য আপনারা ওয়ালটন এর পার্সোনাল ওয়েবসাইট এ ভিজিট করতে পারেন। সেখানে আপনারা এসব ফ্রিজের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। ওয়ালটন এর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে ফ্রিজ গুলোকে খুঁজে পাওয়ার জন্য আপনারা আমাদের পোস্টে থাকা ফ্রিজ গুলির মডেল গুলি কপি কর
সার্চ করতে পারেন। তাহলে সেখানে খুঁজে পেতে আপনাদের জন্য সহজ হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সামনে আসতেছে, মুসলমানদের সবচেয়ে ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা। সেই উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় লক্ষ্যে ও পশু কোরবানি করবেন। আর আমরা যেহেতু এখানে ফ্রিজের পোস্ট আপলোড করেছি, সে কারণেই আপনাদের কে বলে রাখা ভালো যে আপনারা হয়তো ফ্রিজ গুলো কিনতেছেন সেই সব পশুর মাংস ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখার জন্য। তবে এক্ষেত্রে আপনাদের সংরক্ষণের চাহিদা সীমাবদ্ধ রাখাই ভালো হবে। কেননা ঈদ মানে খুশ, ঈদ মানে আনন্দ, আর সেই আনন্দকে সকলের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার জন্য আপনার জবাই কিন্তু সেই কুরবানীর পশুটির মাংস গুলোকে গরিব-দুঃখী মাঝে বিতরণ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। কেননা এটি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল দ্বারা নির্দেশিত। তাই ফ্রিজের মধ্যে গোস্তকে সংরক্ষিত না করে গরিব দুঃখীর মাঝে সেগুলো বিলিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ঈদের যে খুশি সে খুশি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
মনে রাখবেন কোরবানি শুধুমাত্র লোক দেখানোর জন্য নয়। এটি আল্লাহর নৈকাতত্ত্ব লাভের আশায় হওয়া উচিত। আপনার লক্ষ লক্ষ টাকার পশু কোরবানি দিয়ে লাভ কি? যদি সেই কুরবানী আল্লাহ তা'আলা কবুল না করেন। তাই লোক দেখানো কোরবানি করা থেকে বিরত থাকুন এবং আপনার কোরবানি করা পশুর মাংস গরীবের মাঝে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে বিতরণ করুন এবং আপনার চাহিদা কে সীমাবদ্ধ রেখেই সে গুলিকে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।






