সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার সহজ নিয়ম ২০২২ ।

আগেকার যুগে প্রশ্নের ধরন এমন ছিল না। আমরা যখন আগে পড়াশোনা করতাম তখন সৃজনশীল ব্যাপারটি কেমন তা আমাদের বোধগম্য ছিল না। তবে এটুকু জানতাম যে, তখন নাকি শিক্ষা মন্ত্রণালয মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরে বিশেষ একটি পরিবর্তন আনার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। আর সেই পরিবর্তন ছিল মূলত সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি পদ্ধতি। প্রথম যখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে উঠে তখন প্রথম বারের মতো সৃজনশীল প্রশ্ন হাতে পাই। প্রথম প্রথম কোন কিছুই বুঝতে পারিনি। সেই সময় শুধুমাত্র এটুকুই বুঝেছিলাম যে, সৃজনশীল প্রশ্ন মোটেও সহজ নয়। কেননা তখন শুধুমাত্র এটুকুই বুঝেছিলাম যে, পৃষ্ঠার পর পিষ্ঠা লিখতে হবে আমাদেরকে। তখন আমার কাছে সৃজনশীল বলতে এমনই একটি ব্যাপার মনে হয়েছিল। আমাদের মধ্যে এখনো অনেকে রয়েছে যারা সৃজনশীলকে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখার ব্যাপারই মনে করে। তবে আজকের এই পোস্টে আমরা সৃজনশীল কিভাবে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে হবে। সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব। আর এই আলোচনা থেকে প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা এটুকু বুঝতে পারবে। শুধুমাত্র পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা নয়। কিছু সঠিক নিয়ম ও নির্দেশনা মাথায় রেখে যদি আমরা প্রশ্নের উত্তরকে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারি। তাহলেই আমাদেরকে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখতে হবে না। আর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা না লিখেও আমরা সৃজনশীল থেকে নিজের আশা অনুরূপ নাম্বার পাব। অর্থাৎ আজকে আমরা আপনাদের সামনে সৃজনশীল লেখা সঠিক নিয়ম পদ্ধতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ একটি আলোচনা করব। তাই বেশি কথা না বাড়িয়ে চলুন, আমাদের পোস্টের মূল প্রসঙ্গে চলে যাওয়া যাক-


সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার সহজ নিয়মঃ-

সৃজনশীল প্রশ্নের গঠন কাঠামোঃ

সৃজনশীল প্রশ্ন মূলত ৪ টি স্তর কাঠামোতে গঠিত। আর সেই স্তর কাঠামো গুলো হলো: জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতার দক্ষতা মূলক। তবে এই স্তর কাঠামোর পরিবর্তন ঘটে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিতের বেলায়। কেননা সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিতের ক্ষেত্রে এই স্তর কাঠামো গুলো ৩ টি অংশে বিভক্ত হয়ে থাকে। অর্থাৎ অনুধাবনমূলক, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতার দক্ষতা মূলক। প্রতিটি সৃজনশীল প্রশ্নের সঙ্গে একটি করে উদ্দীপক থাকে। বাংলা, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইসলাম শিক্ষা, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস, কৃষি শিক্ষা ও ভূগোলের মতো বিষয় গুলোতে উদ্দীপকের সাথে তুলনা স্বরূপ বিভিন্ন প্রশ্ন হয়ে থাকে। তবে এর ব্যতিক্রম ঘটে গণিত ও উচ্চতর গণিতের ক্ষেত্রে। কেননা গণিত বা উচ্চতর গণিতের সঙ্গে যে, উদ্দীপকটি দেওয়া থাকে সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা উদ্দীপকের তথ্যের উপরেই গণিতের সৃজনশীলটি সমাধান করতে হয়। আর বাংলা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এর মত বিষয় গুলোর ক্ষেত্রে তুলনা বা সাদৃশ্য বৈদৃশ্য কি এই ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার সহজ নিয়মঃ

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য কিছু নিয়ম কে অনুসরণ করা উচিত। কেননা কেবল মাত্র পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখে নাম্বার পাওয়া যায় না। যদি কেউ ভেবে থাকে যে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখলেই বুঝি আমি নাম্বার পেয়ে যাব। তাহলে তার ধারণাটি নিঃসন্দেহে ভুল। ঘন্টার পর ঘন্টা লেখার পরেও তোমরা অনেকেই লক্ষ্য করেছ যে, তোমার পাশের ছেলেটি তোমার থেকে কম পৃষ্ঠা লেখার পরেও তোমার থেকেও বেশি নাম্বার পেয়েছে। যা তোমার কাছে খুবই আশ্চর্যজনক বলে মনে হয়েছে। কেননা তুমি দেখেছো সে তোমার থেকে অনেক কম পৃষ্ঠা লিখেছে। আর এ রকম হওয়ার কারণ হল সে সৃজনশীল লেখার সময়। সৃজনশীল লেখার সঠিক নিয়ম কে অবলম্বন করে উত্তরপত্রে উত্তর উপস্থাপন করেছে। সে তার খাতায় প্রশ্নের স্বচ্ছতা, বিষয়ভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন, বাক্যের গঠন ও খাতা সুন্দর্য সে রক্ষা করে। সব কিছুর সংমিশ্রণে সে সৃজনশীল প্রশ্নটির উত্তর উপস্থাপন করেছে। আর এ কারণেই সে তোমার থেকে কম পৃষ্ঠা লেখার পরেও তোমার থেকে বেশি নাম্বার পেয়েছে।

একই সৃজনশীল প্রশ্নের যেহেতু ৪ টি স্তর রয়েছে। সে কারণে একটি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর উপস্থাপনের জন্য ৪ টি আলাদা আলাদা নিয়ম রয়েছে। প্রতিটি স্তরের জন্য আলাদা আলাদা নিয়মকে অবলম্বন করতে হবে। এর পাশাপাশি তোমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে। যেন সম্পূর্ণ সৃজনশীল তোমরা সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারো। আমরা সাধারণত একটি সৃজনশীল লেখার জন্য ২০ থেকে ২২ মিনিট সময় পেয়ে থাকি। এর মধ্যেই আমাদের কে সৃজনশীলটি সম্পন্ন করতে হবে। আর এই সময়ের মধ্যে একটি সৃজনশীল সম্পন্ন করতে পারলে। তোমরা পরীক্ষার সম্পূর্ণ সৃজনশীল গুলি সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারবে। সৃজনশীল প্রশ্নের এই ৪ টি স্তর লেখার নিয়ম ও সময়ের বন্টন সম্পর্কে। জেনে নিন-

জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম ও সময়ের বন্টনঃ

জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর সাধারণত ছোট হয়ে থাকে। আর এই প্রশ্নটি বিষয়কে নির্দিষ্ট করে হয়ে থাকে। এই প্রশ্নটি সাধারণত বইয়ের মধ্যে থাকা কোন বিষয়কে নির্দিষ্ট করেই হয়ে থাকে। আর এই প্রশ্নটিকে ১ লাইনের মধ্যে শেষ করা উত্তম। তবে অনেকেই রয়েছে যারা একটি শব্দের মাধ্যমেই এর উত্তর উপস্থাপন করে থাকে, এটি ভুল নয়। তবে অনেক শিক্ষকগণ এটি থেকে বিরত থেকে একটি ১ লাইন লিখে উত্তর দেওয়াকে উত্তম বলে দাবি করেছেন। প্রশ্নটি বই থেকেই হয়ে থাকে আর উদ্দীপকের সাথে এই প্রশ্নের কোন মিল থাকে না। তবে ভুল ভবিষ্যৎ কখনো ব্যতিক্রম হতে পারে।

জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার জন্য মাত্র ১ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা উচিত।

অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম ও সময়ের বন্টনঃ

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন সাধারণত আমাদের পাঠ্য বই থেকেই হয়ে থাকে। তবে কোন কোন সময় এর ব্যতিক্রম হয়ে এটি উদ্দীপক থেকেও দেওয়া হয়। অনুধাবনমূলক প্রশ্নের দুইটি অংশ থাকে। এই প্রশ্নটির উত্তর লেখার ক্ষেত্রে দুইটি প্যারা করতে হবে। প্রথম প্যারায় জ্ঞানমূলকের মত খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন করতে হবে। এবং দ্বিতীয় প্যারায় প্রশ্নটির উত্তরটিকে সঠিক ভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করতে হবে। 

প্রথম প্যারায় জ্ঞান মূলকের ন্যায় লিখতে হবে। এবং দ্বিতীয় প্যারায় উত্তরটি কে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে হবে। আর সম্পূর্ণ উত্তরটি কে ৬ থেকে ৭ লাইনের মধ্যে ভালোভাবে লিখতে হবে। তবে এক্ষেত্রে তোমাদের খেয়াল রাখতে হবে। যাতে বেশি সুন্দর করে লিখতে গিয়ে অযথা সময় নষ্ট না হয়।

অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার জন্য মাত্র ৪ থেকে ৫ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা উচিত।

প্রয়োগমূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম ও সময়ের বন্টনঃ

প্রয়োগমূলক প্রশ্নের উত্তর করার ক্ষেত্রে তোমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে। উদ্দীপকে কোন বিষয় সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং অনুধাবনমূলক এই প্রশ্নে কোন বিষয় সম্পর্কে বলা হয়েছে। কেননা অনুধাবনমূলক এই প্রশ্নের উত্তর করার ক্ষেত্রে তোমাদেরকে তিনটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। এর মধ্যে হলো উদ্দীপকে কি বলা হয়েছে সেটি, প্রশ্নে কি চাওয়া হয়েছে সেটি, এবং উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন বিষয়টি সাদৃশ্য বা বৈদৃশ্য রয়েছে সেটি। আর এই সবকিছুর সমন্বয় করে সুন্দর ভাবে তোমাকে প্রশ্নটির উত্তর তৈরি করতে হবে।

অনুধাবনমূলক এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য তিন নাম্বার বরাদ্দ থাকে। সুতরাং এই প্রশ্নের উত্তর করার ক্ষেত্রে তিনটি প্যারা করে উত্তরটিকে উপস্থাপন করতে হবে। প্রথম পারায় কিছু জ্ঞানের সমাহার উপস্থাপন করতে হবে। এবং দ্বিতীয় প্যারায় সারমর্ম নেয় উপস্থাপন করতে হবে। তবে এই প্যারায় প্রশ্নের যে উত্তরটি চেয়েছে সেটিকে ফোকাস ভাবে উপস্থাপন করতে হবে। তৃতীয় প্যারায় পাঠ্যবই উদ্দীপক ও প্রশ্নের সংমিশ্রণে একটি সুন্দর উত্তর তৈরি করতে হবে। ৭ থেকে ৮ লাইনের মধ্যে তোমাদের পাঠ্য বই ও উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাদৃশ্য, বৈদৃশ্য বা পার্থক্য কে তুলে ধরতে হবে। এই প্রশ্নের উত্তরটি সর্বোচ্চ দেড় পৃষ্ঠার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। কেননা এর থেকে বড় করতে গেলে তোমরা সময় এর মধ্যে সব গুলো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না।

প্রয়োগমূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার জন্য মাত্র ৬ থেকে ৭ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা উচিত।

উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম ও সময়ের বন্টনঃ

উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন থেকে সম্পূর্ণ নাম্বার পাওয়াটা খুবই কষ্টসাধ্য। তবে সম্পূর্ণ নাম্বার পাওয়াটা যে অসম্ভব ব্যাপার এমনটিও নয়। সৃজনশীল প্রশ্নের মধ্যে উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নের উত্তরটি সব থেকে বড় হয়ে থাকে। এ কারণেই শিক্ষক এই প্রশ্নটির উত্তরটি খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এই প্রশ্নটির ধরনটিও একটু ভিন্ন ধরনের হয়ে। আর এই প্রশ্নটিতে সাধারণত বিশ্লেষণ, যৌক্তিকতা ও মতামত চাওয়া হয়ে থাকে। তোমরা অনেকেই অনেক সময় লক্ষ্য করেছ প্রশ্নটির আসলে কোন নির্দিষ্ট উত্তরে নেই। এই সময় যে নিজের উত্তর পত্রে সুন্দর যুক্তির মাধ্যমে মতামতটি ব্যাখ্যা করবে তার উত্তরটিকেই বেশি গ্রহণযোগ্য ও সম্পূর্ণ নাম্বার পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচনা করবে শিক্ষকগণ। যেহেতু এই প্রশ্নের উত্তরে চারটি নাম্বার বরাদ্দ থাকে। তাই এদিকে চারটি প্যারা আগারে উপস্থাপন করা উচিত। আর এই চারটি প্যারা প্রয়োগমূলক প্রশ্নের উত্তর থেকে এই প্রশ্নটিকে আলাদা করে দেয়।

উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার জন্য মাত্র ৮ থেকে ৯ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা উচিত।


সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিত সৃজনশীল প্রশ্নের লেখার সহজ নিয়মঃ

উপরে সকল বিষয়ের সৃজনশীল লেখার নিয়ম পদ্ধতি অনেকটা স্বাভাবিক মনে হলেও গণিতের সৃজনশীল লেখার ক্ষেত্রে ছাত্র বন্ধুদের শুরু হয়। নানা ধরনের ভীতিকর ও চিন্তাদায়ক মুহূর্তের। এটি সত্যি যে অন্য সকল বিষয়ের সৃজনশীল থেকে গণিতের সৃজনশীল একটু ভিন্ন। গণিতের সৃজনশীল লেখা সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হব-

  • গণিতের সৃজনশীল এর ক্ষেত্রে উদ্দীপক খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। এ কারণেই প্রথমে সুন্দর ভাবে সৃজনশীলটির উদ্দীপকটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এবং তাতে থাকা খুঁটিনাটি বিষয় গুলো খুঁজে বের করতে হবে।
  • গণিত সৃজনশীল লেখার সময় কোন অংশ বাদ দিয়ে অন্য অংশ লেখা ঠিক নয়। কেননা গণিতের ক্ষেত্রে একটি অংশ অন্য অংশের সাথে বা একটি অংশে তথ্য অন্য অংশে কাজে আসতে পারে। আর এমন করলে তথ্যের সংকট ঘটতে পারে।
  • গণিতের উদ্দীপকে অনেক সময় প্রশ্নের আকারে বিভিন্ন ধরনের সূত্রের অংশ প্রদান করা হয়ে থাকে। তাই উদ্দীপকে মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
  • গণিতে সাধারণত বই থেকে হুবহু কোন প্রশ্ন দেওয়া থাকে না। তবে বইয়ের অংকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কিছু অংক অন্য ভাবে দেওয়া থাকতে পারে।


প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা ও পাঠকগণ আশা করি উপরে উপস্থাপিত সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার সহজ নিয়ম গুলি আপনাদের ভালো লেগেছে। এবং শিক্ষার্থী বন্ধুরা যদি উক্ত নিয়ম গুলোকে অনুসরণ করে, তাহলে এ থেকে ভালো ধরনের উপকার পাবে। সৃজনশীল থেকে ভালো নাম্বার পাবে। আমাদের এই পোস্টটি যে, শিক্ষার্থী বন্ধুরা সঠিক ভাবে পড়েছে তাদের জন্য আমাদের "অল টিপস বাংলা" ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকে রইল, শুভকামনা।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Contact Form